স্কিন barrier compromised? ক্ষতিগ্রস্থ? কিভাবে সরিয়ে তুলবেন বুঝতে পারছেন না?
স্কিন barrier কি? আমাদের ত্বক অনেকগুলি বিভিন্ন স্তর নিয়ে গঠিত, এই স্কিন barrier হল তাদের সব থেকে বাইরের অংশ। এর দুটি প্রধান কাজ রয়েছে: একটি হল ভাল জিনিসগুলিকে সিল করে রাখা (স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক তেল, হাইড্রেশন এবং আর্দ্রতা মনে করুন), এবং দ্বিতীয়টি হল খারাপ জিনিসগুলিকে দূরে রাখা (ব্যাকটেরিয়া, পরিবেশের দূষণ , ময়লা)।
স্কিন barrier কি?
আমাদের ত্বক অনেকগুলি বিভিন্ন স্তর নিয়ে গঠিত, এই স্কিন barrier হল তাদের সব থেকে বাইরের অংশ। এর দুটি প্রধান কাজ রয়েছে: একটি হল ভাল জিনিসগুলিকে সিল করে রাখা (স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক তেল, হাইড্রেশন এবং আর্দ্রতা মনে করুন), এবং দ্বিতীয়টি হল খারাপ জিনিসগুলিকে দূরে রাখা (ব্যাকটেরিয়া, পরিবেশের দূষণ , ময়লা)।
স্কিন barrier কেন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?
- নিজেকে বীর ভেবে Sunscreen ব্যাবহার না করে সূর্যের সাথে দোস্তি পাতাতে যাওয়া। I mean, sun exposure এ যাচ্ছেন কিন্তু sunscreen ব্যাবহার করছেন না।
- মুখে ময়লা, black head, white head এবং pore পরিস্কারের নামে স্কিন কে ঝামা দিয়ে ঘষা। ঝামা মানে বোঝেন নাই - বড় বড় মোটা মোটা অমসৃণ দানা যুক্ত Scrub.
- আবার অনেকে একদিনের ভিতরেই pore cleansing এর জন্য প্রতিদিন কেমিক্যাল exfoliator ব্যাবহার করে ওভার exfoliation করা।
- অনেক বেশি একটিভ উপাদান না জেনে ভালভাবে /অতিরিক্ত ব্যাবহার করা।
- অতিরিক্ত গরম (স্টিম)/ঠান্ডা (বরফ) পানি ব্যাবহার করা।
- মুখ বেশি তৈলাক্ত লাগছে দেখে বার বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া।
- Moisturizer না দেয়া। তৈলাক্ত ত্বকের অনেকেই এই কাজ করে থাকেন ।
- Natural, organic হাবিজাবি জিনিস নিজে বানিয়ে বা বাজার থেকে কিনে এনে একটা ভর্তা বানিয়ে মুখে মাখা।
- এনভায়রনমেন্টাল পলিউশন।
- মানুষিক চাপ এবং ঘুমের অভাব।
ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের লক্ষণ:
- জ্বলুনি । যাই দিবেন মুখ জ্বলে। পানি দিলেও মুখ জ্বলবে
- ডিহাইড্রেটেড, নিস্তেজ ত্বক
- হাইপারপিগমেন্টেশন
- ত্বকের সংক্রমণ / একনি লেগেই থাকে
- বিলম্বিত ক্ষত নিরাময়
- রোসেসিয়া এবং একজিমা। এই অবস্থা আংশিকভাবে একটি জেনেটিক ত্রুটি দ্বারা সৃষ্ট হয়। যাইহোক, স্কিন barrier এর অতিরিক্ত বাহ্যিক ক্ষতি এই অবস্থাগুলিকে উদ্দীপ্ত করতে পারে।
এখন, আমার ত্বক তো ক্ষতিগ্রস্ত। আমি এটাকে repair করতে চাই। কি করা যেতে পারে?
- প্রথম যে কাজ টি করবেন, খুজে বের করুন ঠিক কি কারণে আপনার ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গেছে ।
- কোন ভাবেই স্কিন কে irritate করা যাবে না।
যদি খুজে না পান তাহলে, প্রথমে আপনার স্কিন কেয়ারে যদি কোন একটিভ উপাদান থাকে সেটা বন্ধ করে দেয়া।
- কোন প্রকার ফিজিক্যাল, কেমিক্যাল, মেকানিকাল ঝামা, স্ক্রাব দিয়ে মুখ ঘষাঘষি বন্ধ।
- মুখের ভিতরে বেসনের প্রলেপ, লেবুর রস, চিয়া সীড , নিম পাতা দিয়ে ফেসপ্যাক বানানো বন্ধ করতে হবে । বেসন দিয়ে বেগুনি আর লেবু দিয়ে সরবত এটাই মজা। এগুলো মুখের জন্য না। সকল প্রকার DIY বন্ধ।
- কোন ভাবেই sunscreen কে avoid করবেন না ।
- সূর্যের এক্সপোজার ক্ষতিগ্রস্থ ত্বকের barrier এর অন্যতম প্রধান কারণ এবং UVA এবং UVB রশ্মির এক্সপোজার স্কিন barrier repair বাধা দেয়। প্রতিদিন ৩০ বা তার বেশি SPF সহ একটি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং এ ছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ উপাদান স্কিন কেয়ার এ রাখুন।
- ত্বকে hydrtaion এবং moisturization করুন: কোন ভাবেই moisturizer স্কিপ করবেন না। একটি ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের hydration প্রয়োজন । গ্লিসারিন, সরবিটল , panthanol এবং হায়ালুরোনিক অ্যাসিডের মতো হিউমেক্ট্যান্ট রয়েছে এমন ক্রিম, লোশন ব্যবহার করুন। Ceramide, Urea, Snail, Propolis , Niacinamide এর মত উপাদান যুক্ত Moisturizer ব্যাবহার করুন। ত্বক কে calming soothing করতে Centella Asiatica , ঘৃতকুমারী এর জুড়ি মেলা ভার ।
- আপনার ত্বকের যত্নের রুটিন সহজ রাখুন: Facewash, moisturizer, sunscreen & double cleansing আপনার জন্য একেবারে enough. মুখ বার বার ফেসওয়াশ/সাবান দিয়ে ধুবেন না। সারাদিন দুই বারের বেশি ফেসওয়াশ করার কোন প্রয়োজন নেই।
- সকল প্রকার সেরাম থেকে আপতিত স্কিন কে বিরতি দিন।
- এই সময়ে কোন ভাবেই নতুন নতুন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট নিয়ে অযথা এক্সপেরিমেন্ট করতে যাবেন না।