ভাল এবং নামিদামি ক্লিনজার / ফেসওয়াশ ব্যাবহার করছি। কিন্তু কোন ভাল ফলাফল পাচ্ছি না। কেন??
ভাল এবং নামিদামি ক্লিনজার / ফেসওয়াশ ব্যাবহার করছি। কিন্তু কোন ভাল ফলাফল পাচ্ছি না। কেন??এই যদি হয় আপনার জিজ্ঞাসা,তাহলে আশা করি আপনি এখনি তার উত্তর পেয়ে যাবেন। সম্ভাব্য কারণ সমূহ: low pH facewash ব্যবহার না করা: ত্বক এর জন্য সর্বদা low pH Facewash ব্যবহার করতে হবে। আমাদের ত্বক মাইল্ড অ্যাসিডিক। তাই, ফেসওয়াশ ও মাইল্ড অ্যাসিডিক বা low pH এর হওয়া প্রয়োজন।
ভাল এবং নামিদামি ক্লিনজার / ফেসওয়াশ ব্যাবহার করছি। কিন্তু কোন ভাল ফলাফল পাচ্ছি না। কেন??এই যদি হয় আপনার জিজ্ঞাসা,তাহলে আশা করি আপনি এখনি তার উত্তর পেয়ে যাবেন।
সম্ভাব্য কারণ সমূহ:
- low pH facewash ব্যবহার না করা: ত্বক এর জন্য সর্বদা low pH Facewash ব্যবহার করতে হবে। আমাদের ত্বক মাইল্ড অ্যাসিডিক। তাই, ফেসওয়াশ ও মাইল্ড অ্যাসিডিক বা low pH এর হওয়া প্রয়োজন।
- আপনার ত্বকের প্রয়োজন অনুসারে প্রোডাক্ট বাছাই না করা:শুধু রিভিউ দেখে এবং আপনার ত্বকের প্রয়োজন এবং চাহিদা কে অগ্রাহ্য করে কোন ফেসওয়াশ / ক্লিনজার ব্যবহার করা।যেমন, আপনার ত্বক খুব ড্রাই আর আপনি যদি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মানানসই ক্লিনজার বেছে নেন তাহলে মুখ ধোয়ার পর আপনার ত্বক আরো বেশি শুষ্ক এবং প্রাণহীন দেখাবে। এতে, আপনার স্কিন ব্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।আর ক্ষতিগ্রস্ত স্কিন ব্যারিয়ার সব সমস্যার উৎস ।আবার উল্টোটা যদি করেন, অর্থাৎ আপনার ত্বক তৈলাক্ত, আর আপনি এমন ক্লিনজার বেছে নিলেন সেটা খুব বেশি moisturize করবে,তখন সেই ক্লিনজার টিও আপনার মুখের অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে পারবে না ।ফলে ত্বকে জমে যাবে ধুলো ময়লা এবং তার সাথে ব্যাক্টেরিয়া প্রেম করে সংসার শুরু করবে। উপহার হিসাবে পাবেন একনি।
- বেশি পরিষ্কার এর আশায় বেশি বেশি প্রোডাক্ট ব্যাবহার করা: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্লিনজার খুব কম পরিমাণে লাগে(অনেক সময় pea সাইজ)। অতিরিক্ত প্রোডাক্ট আপনার ত্বকের ন্যাচারাল লিপিড কে ধুয়ে নিয়ে যাবে। এতে করে আপনার স্কিন ব্যারিয়ার মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর তৈলাক্ত ত্বক যখন বুঝবে ত্বকে তেলের পরিমান কমে গেছে, তখন সে বেশি বেশি তেল produce করবে । এতে, করে ওই সেই একনি সহ অন্যান্য সমস্যা বেড়ে যাবে।
- বেশি উপকারের আশায় , মুখে ক্লিনজার অনেক সময় ধরে রেখে দেওয়া: মুখে ৪০ সেকেন্ড ক্লিনজার রেখে ওয়াস করে ফেললেই মুখ সুন্দরভাবে পরিষ্কার হয়ে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ৬০ সেকেন্ডও রাখা যায়। কিন্তু এর বেশি একটুও রাখা ঠিক হবে না। বেশি সময় ধরে ক্লিনজার মুখে রাখলে স্কিন ব্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ হবে, স্কিনের ন্যাচারাল লিপিড এর ভারসাম্য নষ্ট হবে, pH balance নষ্ট হবে।
- ক্লিনজার ব্যবহারের সময় জোরে জোরে মুখে ঘষামাজা করা: এমনভাবে ত্বকে হাত দিয়ে ম্যাসাজ করবেন, যেন মনে হয় পালক বুলিয়ে দিচ্ছে। Ring/pinky ফিঙ্গার ব্যাবহার করলে মুখে প্রেসার কম পরবে। বেশি করে ঘষামাজা করলে খুব দ্রুত বলিরেখা পরে যাবে ।
- ২৪ ঘণ্টায় দুইবারের বেশি ক্লিনজার ব্যাবহার করা: যারা খুব বেশি বাইরে যান,তারা সকালের ক্লিঞ্জার avoid করে, বাইরে থেকে এসে গোসলের সময় একবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন এবং আরেকবার রাতে। এতে স্কিন ব্যারিয়ার Damage হবে না।Moisture balance ঠিক থাকবে। ত্বকের PH ঠিক থাকবে।
- আপনি যদি double cleansing এর প্রথম ধাপ মিস করেন : ইচ্ছা করে না করেন তাহলে আপনার ক্লিনজার টি আপনার ত্বকে ঠিকমত কাজ করতে পারবে না। আপনি সানস্ক্রিন /মেকাপ ব্যাবহার করছে,সেটাকে আপনার ক্লিনজার একা পরিষ্কার করতে পারে না। এর জন্য তার একজন সাহায্যকারী লাগবে। আর সেটা হল miceller water/ cleansing oil/cleansing balm. এই ধাপ মিস করেছেন তো ফলাফল হিসাবে পাবেন: একনি, ডেড cells, close comedone, open comedone etc.
Content Courtesy: Samina Noor Tracy