এন্টি এজিং স্কিনকেয়ার
বার্ধক্যের কারণে আমাদের ত্বক এর কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উৎপাদন কমে যাওয়ার সাথে সাথে স্থিতিস্থাপকতা/elasticity হারায়। চর্বিযুক্ত প্যাডগুলি কমে যাওয়ার ফলে ত্বকের চামড়ার টান টান ভাব কমে যায় এবং সূর্যের এক্সপোজার থেকে বলিরেখা হয়। এগুলি এমন জিনিস যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, তবে এমন অনেকগুলি জিনিস রয়েছে যা আপনি আপনার ত্বকের বয়সকে ধীর করতে প্রভাবিত করতে পারে।
অ্যান্টি এজিং একটি অনেক বড় টার্ম। বার্ধক্যের কারণে আমাদের ত্বক এর কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উৎপাদন কমে যাওয়ার সাথে সাথে স্থিতিস্থাপকতা/elasticity হারায়। চর্বিযুক্ত প্যাডগুলি কমে যাওয়ার ফলে ত্বকের চামড়ার টান টান ভাব কমে যায় এবং সূর্যের এক্সপোজার থেকে বলিরেখা হয়। এগুলি এমন জিনিস যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, তবে এমন অনেকগুলি জিনিস রয়েছে যা আপনি আপনার ত্বকের বয়সকে ধীর করতে প্রভাবিত করতে পারে।
কিভাবে উজ্জ্বল ত্বক পাবেন এবং স্কিনের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রসেস কে slow করবেন/অ্যান্টি এজিং স্কিন কেয়ার:
- সবার প্রথমে sunscreen কে শত্রু না ভেবে আপন বন্ধু ভাবুন:
Sunscreen কেন লাগবে সেটা বহুবার বলেছি। সূর্যকে ভালবাসবেন আর sunscreen ব্যাবহার করবেন না, কি হবে বলেন তো? পাবেন সকল প্রকার stressed. সাথে পাবেন রিংকেল, বলিরেখা সহ মুখ কাল হয়ে যাওয়া, মুখ ডাল দেখানো, মুখের উজ্জ্বলতা চলে যাওয়া। আসল কথা হলো, আপনি আপনার স্কিন কেয়ার লাখ লাখ টাকার product ব্যবহার করলেন আর sunscreen ব্যাবহার করলেন না, তবে সেটা হবে ফুটো কলসিতে পানি ভরানোর প্রচেষ্টা।
- ক্লিনজার ব্যবহারে সতর্ক হোন:
একটি মাইল্ড cleanser ব্যাবহার করুন। একটি harsh cleanser ব্যাবহার করলে আপনার স্কিন barrier কে damage করবে। আর damage skin barrier মানেই দ্রুত বয়সের ছাপ পরবে স্কিনে।
- ময়েশ্চারাইজ ব্যাবহার করুন:
Moisturizer কি করে বলেন তো? সিম্পল, স্কিন moisturized রাখে। ময়েশ্চারাইজারগুলি আপনার ত্বকে পানিকে আটকে রাখে, যা আপনার ত্বককে আরও তারুণ্য দেখাতে সাহায্য করে।
Note: তৈলাক্ত ত্বকের অনেকেই ভাবেন তার মুখে অনেক তেল, তার moisturizer এর প্রয়োজন নেই। একেবারেই ভুল। সবার moisturizer প্রয়োজন। যার তৈলাক্ত ত্বক তিনি হাইড্রো/gel base moisturizer ব্যবহার করবেন, শুষ্ক ত্বকের জন্য একটু বেশি emollient যুক্ত moisturizer প্রয়োজন।
এমনকি আপনি আপনার রাতের ত্বকের যত্নের রুটিনের অংশ হিসাবে পেট্রোলিয়াম জেলি বা মিনারেল oil প্রয়োগ করতে পারেন যাতে আপনার ত্বক রাতে শুকিয়ে না যায়। তবে, এই গরমে এটার প্রয়োজন সবার নেই।
- এক্সফোলিয়েট করা:
এক্সফোলিয়েশনের আপনার ত্বকের জন্য অনেকগুলি সুবিধা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মৃত ত্বকের কোষগুলি অপসারণ করা এবং ত্বকের যত্নের পণ্য ব্যবহারের জন্য আপনার ত্বককে প্রস্তুত করা। তবে সকল বয়স এবং সকল প্রকার স্কিনের জন্য এই স্টেপ প্রয়োজন নেই। আপনার বয়স ২০ এর কম, সেনসিটিভ, স্কিন barrier damage, হাবিজাবি ক্রিম মেখে স্কিনের বারোটা বাজিয়েছে, বেসিক স্কিন কেয়ার করেন না বা করলেও অল্প কিছুদিন করছেন - তাদের জন্য exfoliation নয়।
- ত্বকে hydration দিন:
কিভাবে দিবেন? কি দিবেন? স্কিন কে পানি খাওয়াবো কিভাবে? কি ভাবছেন - এক গ্লাস পানি নিয়ে মুখ চুবিয়ে রেখে স্কিনকে পানি দিবেন !!!! না না। এই কাজ করে কোন লাভ নেই। Hydrating moisturizer এর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে hydrating lotion, toner ব্যাবহার করেন।
আমার তো জাপানিজ লোশন এই কারণে অনেক পছন্দ।
- রিঙ্কেল-ফাইটিং পণ্য ব্যবহার করুন:
স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করার চেষ্টা করুন যাতে অ্যান্টি-এজিং উপাদান রয়েছে। অ্যান্টি-এজিং প্রোডাক্টগুলির জন্য কিছু উপাদানের দিকে নজর দিতে হয় যা হল রেটিনয়েডস (কোলাজেন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে), হায়ালুরোনিক অ্যাসিড (ত্বকের মধ্যে আর্দ্রতা আটকে রাখে), ভিটামিন সি (একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা পণ্যের কোলাজেনকে সাহায্য করে), ভিটামিন ই (একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রদাহ কমায়), পেপটাইডস (শরীরে কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উত্পাদনের সাথে আবদ্ধ), সিরামাইডস (আদ্রতা বজায় রাখতে এবং দূষণকারী উপাদানগুলিকে দূরে রাখতে আপনার ত্বকের বাধা শক্ত রাখে), গ্লাইকোলিক অ্যাসিড (এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য এবং কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উত্পাদন বাড়ায়), এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড (মৃদু এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য এবং ত্বকের আর্দ্রতা বৃদ্ধি)। আপনি যে পণ্যগুলি এবং ত্বকের যত্নের রুটিন ব্যবহার করতে চান না কেন, এটিকে সহজ রাখুন যাতে আপনার এটি ব্যবহার করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
একটি কথা আমরা প্রায় ভুলে যায়। সেটা হলো আমরা শুধু মুখের যত্ন করি। আসলে আমাদের এজিং এর সাইন আমাদের গলা, পায়ে, হাতেও খুব দ্রুত পড়ে। তাই সেই অংশ গুলো পরিষ্কার করা, moisturizer ব্যাবহার করা এবং সর্বোপরি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে ।
এছাড়া আরো কিছু জিনিস আছে, সেগুলো আমাদের জীবনযাত্রার সাথে জড়িত। যেমন:
- ধূমপান করা যাবে না।
- অ্যালকোহল কে না বলুন।
- কোন প্রকার বাসায় বানানো প্যাক, homemade, অর্গানিক জিনিস ব্যাবহার করবেন না। এগুলোর কোন টেস্টিং হয় না, কোন pH ব্যালান্স করা কিনা কোন ঠিক নাই। এগুলো এড়িয়ে চলবেন।
- সুষম খাবার খান।
- সময় মত এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।
- একটু ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
Content Courtesy: Samina Noor Tracy