এক্সফোলিয়েটর কি এবং কেনো প্রয়োজন? এক্সফোলিয়েটর কতো প্রকারের হয়ে থাকে?
হেলদি স্কিনের জন্য একটি প্রপার স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা হচ্ছে সবচে বেশি জরুরি। আর স্কিনকে হেলদি রাখতে ও ব্ল্যাকহেড,হোয়াইট হেড সহ অন্যান্য সমস্যা দূর করার জন্য এক্সফলিয়েটর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আসুন জেনে নেই এক্সফলিয়েশন বা এক্সফলিয়েটর কি। এক্সফলিয়েটর ঃ আমাদের ত্বক প্রতিনিয়ত নতুন স্কিন সেলস তৈরি করে থাকে যা স্কিনের ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সেল রিনিউয়াল প্রসেস কমতে থাকে তখন ডেল স্কিন সেলস বা মৃতকোষ জমা হয়ে নানান সমস্যা যেমন ব্ল্যাকহেড,হোয়াইটহেডস, বাম্পস ইত্যাদি দেখা দেয়। সাধারণত টিনেজের পর থেকে এই সেল রিনিউ প্রসেস স্লো হতে থাকে, তখন ই স্কিনের সারসেফ থেকে ডেড সেলস রিমুভ করতে স্কিন এক্সফলিয়েট করতে হয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর অথবা সপ্তাহে এক থেকে দুইদিন সর্বোচ্চ এক্সফলিয়েটর ইউজ করা উচিত।

এক্সফোলিয়েটর কি এবং কেনো প্রয়োজন? এক্সফোলিয়েটর কতো প্রকারের হয়ে থাকে?
হেলদি স্কিনের জন্য একটি প্রপার স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা হচ্ছে সবচে বেশি জরুরি। আর স্কিনকে হেলদি রাখতে ও ব্ল্যাকহেড,হোয়াইট হেড সহ অন্যান্য সমস্যা দূর করার জন্য এক্সফলিয়েটর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আসুন জেনে নেই এক্সফলিয়েশন বা এক্সফলিয়েটর কি।
এক্সফলিয়েটর ঃ আমাদের ত্বক প্রতিনিয়ত নতুন স্কিন সেলস তৈরি করে থাকে যা স্কিনের ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সেল রিনিউয়াল প্রসেস কমতে থাকে তখন ডেল স্কিন সেলস বা মৃতকোষ জমা হয়ে নানান সমস্যা যেমন ব্ল্যাকহেড,হোয়াইটহেডস, বাম্পস ইত্যাদি দেখা দেয়। সাধারণত টিনেজের পর থেকে এই সেল রিনিউ প্রসেস স্লো হতে থাকে, তখন ই স্কিনের সারসেফ থেকে ডেড সেলস রিমুভ করতে স্কিন এক্সফলিয়েট করতে হয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর অথবা সপ্তাহে এক থেকে দুইদিন সর্বোচ্চ এক্সফলিয়েটর ইউজ করা উচিত।
স্কিন টাইপ ও সমস্যা বুঝে এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করতে হবে, এখন আলোচনা করব নানান ধরণের এক্সফলিয়েশন নিয়ে।
ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েটরঃ এটা হচ্ছে স্ক্রাব যা মূলত দানাদার থাকে ও স্কিনের উপরিভাগ থেকে ডেড সেলস রিমুভ করে থাকে। ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েশন এর ক্ষেত্রে সবচে বেশি খেয়াল রাখতে হবে এতে থাকা দানা বা বিডস যেন বেশি হার্শ না হয় এবং ফেস যেন বেশি রাব না করা হয়। সাধারণত ড্রাই বা নরমাল স্কিনের জন্য এইধরনের স্ক্রাব আদর্শ, সেনসিটিভ বা এক্নেপ্রন স্কিনে ফিজিক্যাল স্ক্রাব ইউজ না করাই ভাল। সপ্তাহে একবার ইউজ করলেই যথেষ্ট কারণ অতিরিক্ত ব্যবহারে স্কিনের হেলদি সেলস ও রিমুভ হয়ে স্কিন বেশি ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। এবং অবশ্যউ ইউজের পর ময়েশ্চারাইজার ইউজ করতে হবে।
পিলিং জেলঃ পিলিং জেল ও হচ্ছে এক ধরণের ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েটর । এটা স্কিনের জন্য অনেক জেন্টেল টাইপ, জেল টাইপ এক্সফলিয়েন্ট যা ফেসে ইউজের পর ত্বকে থাকা ন্যাচারাল ওয়েলের সাথে রিএক্ট করে দানা দানা বা গুড়িগুড়ি হয়ে স্কিনে থাকা ডেড সেল রিমুভ করে স্কিন ক্লিন রাখে। এটাও সপ্তাহে এক থেকে দুইদিন ব্যবহার করা যাবে।
পিল অফ মাস্কঃ এ ধরণের এক্সফলিয়েন্ট মূলত স্কিনের জন্য অনেক হার্শ হয় এবং অনেকেই না বুঝে ও স্কিন টাইপ ও কনসার্ন না বুঝেই ইউজ করে থাকেন। এ ধরণের এক্সফলিয়েন্ট হচ্ছে এক ধরণের মাস্ক বা ক্লে ও চারকোল অথবা প্ল্যান্ট বেসড ফর্মুলেটেড থাকে।
ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটরঃ ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর স্কিনের সারফেস থেকে এপিডার্মাল লেয়ার পর্যন্ত কাজ করে, এবং স্কিনের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ও উপকারী এই ধরণের এক্সফলিয়েশন। স্কিন টাইপ, কনসার্ন ও ফর্মুলেশন অনুযায়ী ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর বিভিন্ন ফর্মের হয়ে থাকে। এই ধরণের এক্সফলিয়েটর ওয়াটার সলুবল হয় তাই স্কিনের একদম সারফেস লেয়ার থেকে কাজ করে। এরকম কিছু এক্সফলিয়েটর হচ্ছে AHA বা alpa hydroxy acid এর মধ্যে glycolic acid,citric acid, lactic acid সবগুলোই স্কিনের ভিতর এর লেয়ার থেকে কাজ করে থাকে। যাদের ড্রাই স্কিন, আনইভেন স্কিন টেক্সচার,সানট্যান, ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড সহ নানান সমস্যা আছে তারা AHA বেসড এক্সফলিয়েটর ট্রাই করতে পারেন।
BHA বা beta hydroxy acid এটা ওয়েল সল্যুবল তাই যাদের ওয়েলি স্কিন এবং একনে তারা bha exfoliant নিতে পারেন৷ এটা স্কিনের ডিপার লেয়ারে পেনেট্রেট করে এবং পোর আনক্লগিং প্রপার্টিস আছে তাই স্মুদ ও ক্লিন স্কিনের জন্য BHA যুক্ত এক্সফলিয়েটর বেশ কাজের। স্যালিসেলিক এসিড হচ্ছে bha বেসড এক্সফলিয়েটর।
Enzyme exfoliator: এনজাইম এক্সফলিয়েটর ও এক ধরণের ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর। এটি মূলত পাউডার ফর্মে থাকে এবং বেশিরভাগ ই এটা ওয়াশ বা ক্লিঞ্জার হিসেবে ইউজ করতে হয়। এই ধরণের এক্সফলিয়েশন স্কিনের জন্য অনেক জেন্টেল হয়ে থাকে এবং কোন ধরণের ইরিটেশন হবার সম্ভাবনা থাকেনা।যাদের সেনসিটিভ স্কিন ও কিছু স্যুট করেনা তাদের জন্য এই ধরণের এনজাইম ওয়াশ এক্সফলিয়েশন অনেক কার্যকরী হবে,এতে স্কিন ওভার ড্রাই হয়না এবং স্কিন হাইড্রেট ও থাকে।
সতর্কতা ঃ যেকোন ধরণের এক্সফলিয়েশন বা ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর ইউজে স্কিন কিছুটা ড্রাই হতে পারে এবং সান সেনসিটিভ হওয়ার ও সম্ভাবনা থাকে, তাই এক্সফলিয়েটর ইউজ করলে কিছুতেই ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন স্কিপ করা যাবেনা। ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর ক্ষেত্রে শুরুতেই হাইয়ার পার্সেন্টেজ দিয়ে না করে আস্তে আস্তে স্কিন কে এডজাস্ট করার সময় ও সুযোগ দিয়ে ফ্রিকুয়েন্সি বাড়াতে পারেন। ক্যামিকেল এক্সফলিয়েটর প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবেনা এবং ক্যামিকেল এক্সফলিয়েশন এর ক্ষেত্রে ওয়াশ করার দরকার নেই ( এনজাইম ওয়াশ ছাড়া)। যেকোনো ধরণের এক্সফলিয়েটর ইউজের আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিবেন।