What To Avoid When The Skin Barrier is Damaged
ত্বক আমাদের দেহের সব থেকে বড় অঙ্গ যা আমাদের দেহের ভিতরের অংশ কে বাইরের পরিবেশ থেকে রক্ষা করে থাকে, তাই ত্বকের লায়েরটা ভালো মজবুত থাকা তা খুব জরুরী নাহলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।শরীরের ত্বক মুখের ত্বকের চেয়ে পুরু এবং সাধারণত ততটা সংবেদনশীল নয়। তবে আমাদের মুখের ত্বক বেশ সংবেদনশীল এবং খুব সহজেই তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ত্বক আমাদের দেহের সব থেকে বড় অঙ্গ যা আমাদের দেহের ভিতরের অংশ কে বাইরের পরিবেশ থেকে রক্ষা করে থাকে। তাই ত্বকের লায়েরটা ভালো মজবুত থাকা তা খুব জরুরী নাহলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।শরীরের ত্বক মুখের ত্বকের চেয়ে পুরু এবং সাধারণত ততটা সংবেদনশীল নয়। তবে আমাদের মুখের ত্বক বেশ সংবেদনশীল এবং খুব সহজেই তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কোন লক্ষণগুলো দেখা গেলে বুঝতে হবে স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজড:
ড্রাই স্কিন (সাভাবিক সময় হতে স্কিন বেশি টান টান অনুভব হওয়া), স্কিন এর কিছু কিছু জায়গায় বা পুড়ো চেহারায় ইচিং হওয়া, স্কিন রাফ হয়ে যাওয়া, কোনো নির্দিষ্ট জায়গা বা পুড়ো চেহারায় হঠাৎ একনে হওয়া, বিভিন্ন ব্যক্টেরিয়াল বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়া ইত্যাদি এমন লক্ষন গুলো স্কিন ব্যরিয়ার ড্যমেজড থাকলে দেখা যেয়ে থাকে।
যাদের স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ তারা স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ রিপেয়ার করার পাশাপাশি যে বিষয়গুলো এভয়ড করতে হবে (ভুলেও করা যাবে না, এতে স্কিন irritate হবে) :
1. সানস্ক্রিন মেইনটেইন না করা।
স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ হওয়ার মেইন ফ্যাক্ট হলো সানবার্ন। সানস্ক্রিন ছাড়া সান এক্সপোজ এ যাওয়া এভয়েড করতে হবে,কারণ এতে স্কিন আরো ড্যামেজ হবার আশংকা থাকে
2. ময়েশ্চারাইজার ইউস না করা।
স্কিন টাইপ যেমনি হোক ময়েশ্চারাইজার মাস্ট ইউস করতেই হবে।
3. হাইড্রেশন স্কিপ করা।
ময়েশ্চারাইজারের পাশাপাশি হাইড্রেশন প্রোভাইট করতে হবে স্কিনকে।
4. Active ingredients।
স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ থাকা অবস্থায় active ingredients অফ রাখতে হবে। কোন ধরণের একটিভ উপাদান এই সময় ইউজ করা যাবেনা।
5. হার্স ক্লিঞ্জার।
মাইল্ড ক্লিঞ্জার ইউস করতে হবে। হার্শ ক্লিঞ্জার ইউজ করা যাবেনা, দিনে/রাতে দুইবারের বেশি ক্লিঞ্জার ইউজ করা যাবেনা। পিএইচ ব্যালেন্সড ক্লিঞ্জার ইউজ করতে হবে এবং তা অবশ্যই জেন্টেল হতে হবে, নাহলে ত্বকের নরমাল ব্যারিয়ার আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
6. এক্সফোলিয়েট ।
স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ থাকলে এক্সফোলিয়েশন অফ রাখতে হবে।
7. ওভারওয়াশিং।
স্কিন অতিরিক্ত ড্রাই বা ওয়লি হওয়ার ফলে ঘন ঘন ফেস ওয়াশ বা এক্সফোলিয়েশন করা যাবেনা। ২-১ বার ফেসওয়াশ ইনাফ। সালফেট যুক্ত ক্লিঞ্জার এভয়েড করতে হবে।
8. হার্স স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট।
মাইল্ড প্রোডাক্ট ইউস করতে হবে।
9. অতিরিক্ত স্কিনকেয়ার স্টেপ।
স্কিনকেয়ার স্টেপ বাড়ালেই যে স্কিন জলদি রিপেয়ার হবে এমন না। এতে আরো বিপরীত হবে৷ তাই স্কিনকেয়ার রুটিন যতটা সিম্পল & নরমাল রাখা যায় তত ভালো। ড্যামেজ স্কিনে বেশি বেশি প্রডাক্ট ইউজ না করে emollient and occlusive যুক্ত হাইড্রেটিং প্রডাক্ট রাখতে হবে যাতে স্কিন হিল হয়।
10. রেগুলার স্কিনকেয়ার না করা।
স্কিনকেয়ার একদিন করব আরেকদিন করব না বা মাসে ২/১ বার করব। এমন করে স্কিনকেয়ারে করলে স্কিন হেলদি হবেনা। রেগুলার স্কিনকেয়ারে করতে হবে।
11. DIY
বাসায় তৈরী স্কিম / সিরাম অফ করতে হবে। হোম রেমিডি (বেসন, চাল, ডাল, এলোভেরা, শসা, টমেটো) এগুলো ইউস করা যাবে না।
12. স্কিন টাইপ & স্কিন কর্ন্সান
অবশ্যই স্কিন টাইপ ও স্কিন কর্ন্সান অনুযায়ী প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে।
13. Unhealthy lifestyle।
লাইফস্টাইল ঠিক রাখতে হবে। সবুজ সবজি ও হেলদি ফুড হ্যাবিট করতে হবে, জাংক ফুড এভয়েড করে৷ কারণ এইসব ভেজিটেবল এ থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট স্কিন এর হেলথ কে সাপোর্ট করে হিল করতে।
14. তাড়াহুড়ো বা পেনিক হওয়া।
স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ হয়েছে জানার পর এটা নিয়ে পেনিক হওয়ার কিছু নাই। সমস্যা হয়েছে সমাধানও হবে। কিন্তু তাড়াহুড়ো করা যাবে না। তাড়াহুড়ো করে আর যাই হোক না কেন স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ রিপেয়ার পসিবল না। সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে স্কিনকেয়ার করতে হবে। রাতারাতি কোন ভালো রেজাল্ট পাওয়া যাবে না। ইফেকটিভ প্রোডাক্ট & হেলদি ওয়েতে স্কিনকেয়ার চালিয়ে যেতে হবে। স্কিন কন্ডিশনের উপর ডিপেন্ডেবল যে স্কিন কত দিনে ঠিক হবে। এখানে কোন টাইমটেবল সেট করা পসিবল নয়। স্কিন টু স্কিন বেরী করে রিপেয়ার টাইম। তাই স্কিনকে আর স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টকে সময় দিতে হবে। ভালো প্রোডাক্ট ইউস করছি তাই জাদুর মত সব ঠিক হয়ে যাবে - এই ধারণা থেকে বের হতে হবে
উপরের কারণগুলো এভয়েড করে সিম্পল বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করলেই কিন্তু স্কিন ব্যারিয়ার রিপেয়ার সম্ভব। এ সময় রিপেয়ার করে এমন সব উপাদান যেমনঃ হাইলুরনিক এসিড, সিরামাইড, ইউরিয়া,এমাইনো এসিড,গ্লিসারিন সহ এন্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিস আছে এরকম প্রডাক্ট চুজ করতে হবে।
তাই ব্যারিয়ার ড্যামেজ হলে নিজের স্কিনকে হিল করতে ও হতে সময় দিন এবং আপনার স্কিন কেয়ার রুটিন মিনিমাল ও হেলদি রাখুন।