আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের একটি কমন কনসার্ন Skin Whitening বা ফর্সা হওয়া। আসলেই কি ত্বকের রং পরিবর্তন করে ফর্সা হওয়া সম্ভব? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
- আমি কি ফর্সা হতে পারবো?
আপনি কখনোই আপনার নিজের স্কিন কালার চেঞ্জ করতে পারবেন না। তবে একটা উপায় আছে স্কিন গ্রাফটিং। এটা বার্ন পেশেন্ট বা এসিড দগ্ধ রুগির ক্ষেত্রে করা হয়। ফুল বডির স্কিন গ্রাফটিং করতে পারেন।
(মনে হয় না এতটুকু শোনার পর আর কেউ এটা করতে চাইবেন)
আচ্ছা আপনি আপনার যে স্কিন শেড আছে তার থেকে ১ বা ২ শেড ফর্সা হতে পারবেন বা ব্রাইট হতে পারবেন। সেটা রেগুলার স্কিন কেয়ার এর মাধ্যমে, ব্রাইটনেস বৃদ্ধি করে এমন একটিভ Ingredients ব্যাবহার এর মাধ্যমে।
- প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে skin complexion কি। আমাদের পৃথিবীতে ছয় ধরনের স্কিন complexion ধরা হয়। তার মধ্য প্রায় ১১০ টিরও বেশি ব্যাসিক স্কিন টোনের মানুষ রয়েছে। আবার জেনেটিকভাবেও প্রত্যেক মানুষের স্কিন টোন একেকজনের থেকে কিছুটা হলেও ভিন্ন হয়। স্কিন ব্রাইটেনিং প্রোডাক্ট ব্যাবহার করে আপনি আপনার নিজের স্কিন complexion এই থাকবেন কখনো চেঞ্জ হবেন না শুধু আপনার স্কিন টোনটা ১ থেকে ২ শেড ব্রাইট হবে।
- যখন আপনি কোনো ছোট বাচ্চা দেখবেন হোক সে কালো বা ফর্সা আপনি তার স্কিন টোনটা মাইল্ড দেখবেন, খুব harsh থাকে না। এটা তার আসল স্কিন টোন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে sun exposure, hyperpigmentation, acne, pollution এর কারনে এই actual স্কিন টোনটা হারিয়ে যায়। তাছাড়া স্কিনের maturity এর একটা ব্যাপার আছে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে collagen production এবং স্কিনের connective tissue growth কমে যায়। তাই আমাদের আসল লক্ষ্য হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া সেই Natural glowy skin ফিরিয়ে নিয়ে আসা। এজন্য বলা হয় Beauty is being the best version of yourself.
- এখন আসি তাহলে স্কিন কেয়াররে কোন কোন জিনিস ব্যবহার করলে আপনি স্কিন ব্রাইট করতে পারবেন। প্রথমেই বলবো Alpha arbutin এর কথা। তাছাড়া রয়েছে vit C, tranexamic acid, tretinoin, azelic acid, glycolic acid, niacinamide. এখন দুইটা ingredients এর নাম বলবো যা একটু বিতর্কিত hydroquinone এবং kojic acid.
- অনেকেই বলবেন তাহলে Deepika Padukone, Kajol, Priyanka Chopra ফর্সা হলো কিভাবে? ওই যে বললাম তারা তাদের স্কিনকে ফর্সা না even tone করতে সক্ষম হয়েছে। অনেকেই হয়তো জানেন না পিগমেন্ট এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে স্কিন টোন ইভেন করার ট্রিটমেন্ট বাইরের দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আমাদের দেশেও এটাকে বিবি গ্লো বা পার্মানেন্ট মেকাপ বিভিন্ন নামে এখন চালু করেছে। ইন্ডিয়ান বেশির ভাগ সেলিব্রিটি এই ট্রিটমেন্ট তাদের পুরো শরীরের জন্য করে থাকেন। তাছাড়া বডি পিলিং এর মধ্যে অন্যতম আরেকটি ট্রিটমেন্ট। তবে আগেই বলে রাখি এধরনের ট্রিটমেন্ট নিলে সেক্ষেত্রে সবসময় ডার্মাটোলজিস্ট এর supervision এ থাকতে হয়ে এবং সবসময় কেবল medicated প্রোডাক্ট ব্যাবহার করতে হয়। এর prophylaxis ভালো ভাবে না করলে হিতে বিপরীত হয়ে মারাত্মক স্কিন প্রবলেম সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।
আশাকরি তোমরা নিজের প্রতি যত্নশীল হবে এবং স্কিন কেয়ার থেকে unrealistic expectations করে শুধু শুধু depressed হবে না।
Content Courtesy: Meghla Rahman