Is DIY Skincare Bad For Our Skin?

    DIY মানে হল: Do It yourself, সহজ ভাষাতে, নিজে নিজে রান্নাঘরের এবং প্রকৃতি থেকে নেওয়া ফুল ফল লতা পাতা নিয়ে বেটে/ব্লেন্ড করে মিক্স করে রূপ চর্চা কে বলে DIY skin care. মানুষ স্পষ্টতই এই বাড়িতে তৈরি মিশ্রণগুলি চেষ্টা করে দেখতে আগ্রহী কারণ এটি বানাতে টাকা খরচ হয় না। কারণ বেশিরভাগ উপাদান আপনার রান্নাঘর থেকে আসে। এছাড়াও, প্রভাবশালী , beauty blogger (তথাকথিত) এবং সেলিব্রিটিরা আপনাকে এই প্রবণতায় নিয়ে গেছে যা আরও মানুষকে একই কাজ করতে উতসাহিত করে। বেশিরভাগ লোকেরা যা বোঝে না তা হল এই DIY স্কিনকেয়ার পণ্যগুলি ভালর ভাল তো করছেই না, অনেক বেশি ক্ষতি করে ফেলছে.

    August 1, 20235:55 PM
    1 min read
    1 views
    Written by Kirei

    DIY স্কিন কেয়ার কি?

    DIY মানে হল: Do It yourself, সহজ ভাষাতে, নিজে নিজে রান্নাঘরের এবং প্রকৃতি থেকে নেওয়া ফুল ফল লতা পাতা নিয়ে বেটে/ব্লেন্ড করে মিক্স করে রূপ চর্চা কে বলে DIY skin care. মানুষ স্পষ্টতই এই বাড়িতে তৈরি মিশ্রণগুলি চেষ্টা করে দেখতে আগ্রহী কারণ এটি বানাতে টাকা খরচ হয় না। কারণ বেশিরভাগ উপাদান আপনার রান্নাঘর থেকে আসে। এছাড়াও, প্রভাবশালী , beauty blogger (তথাকথিত) এবং সেলিব্রিটিরা আপনাকে এই প্রবণতায় নিয়ে গেছে যা আরও মানুষকে একই কাজ করতে উতসাহিত করে। বেশিরভাগ লোকেরা যা বোঝে না তা হল এই DIY স্কিনকেয়ার পণ্যগুলি ভালর ভাল তো করছেই না, অনেক বেশি ক্ষতি করে ফেলছে.

    কেন DIY কে খারাপ বলছি: 

    ১। DIY স্কিনকেয়ারের উপাদানগুলির সঠিক আণবিক আকারে নেই:

    আপনি যদি propolis দিয়ে মুখের ক্রিম বানান, তাহলে শুধু প্রোপলিশ কে অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগালে আপনি এর কোন সুবিধা পাবেন না। কারণ, প্রোপলিস এর আকার - ত্বকের ছিদ্র বা pore থেকে অনেক বড়। ছোট ছিদ্র দিয়ে যেমন বড় ইটের টুকরা যেতে/প্রবেশ করতে পারবে না, তেমনি ছোট pore দিয়ে প্রপলিশ ত্বকের ভিতরে যেতে পারবে না। তাই ত্বক সেটা absorb করতে পারে না। কিন্তু, কসমেটিক কোম্পানিগুলি/বিজ্ঞানীরা সঠিক আণবিক ফর্ম বুঝতে পারে। কোন একটি উপাদান কত অনুবিক ফর্মে আসলে সেটি আপনার ত্বক শোষণ করতে পারবে সেটা সেই কোম্পানি গুলো /বিভিন্ন ল্যাব এ রিসার্চ করে বের করা হয়। যে উপাদানটি আপনার ত্বকের জন্য সঠিক অনুপাতে শোষণ করতে সক্ষম, সেটা উনারা সেভাবেই একটি বিউটি প্রোডাক্ট এ যোগ করেন।

    ২। DIY স্কিনকেয়ারে উপাদানগুলির সঠিক ঘনত্ব থাকে না:

    আমাদের ত্বক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে এটি ধুলো এবং ময়লাকে ত্বকের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তেমনি ভাবে Homemade এর পণ্যগুলিও ত্বক ভিতরে প্রবেশ করতে দেয় না, বাধা প্রদান করে। সুতরাং আপনি যখন একটি homemade/DIY ময়েশ্চারাইজার প্রয়োগ করেন , তখন আপনার ত্বক সত্যিই এটির কিছুই শোষণ করতে পারে না। প্রসাধনী সংস্থাগুলি এটি বোঝে এবং এমন উপাদান ঘনত্বের সাথে পণ্য তৈরি করে যা ত্বক পর্যাপ্ত পরিমাণে শোষণ করতে পারে। যেমন, সিরামগুলি সম্প্রতি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কারণ এতে উপাদানগুলো ঘনীভূত আকারে এমন পরিমাণে পণ্য রয়েছে যা ত্বক দ্বারা সহজেই শোষিত হয়। 

    ৩। DIY স্কিনকেয়ার মিশ্রণ দ্রুত খারাপ হয়ে যায়:

    প্রিজারভেটিভগুলি কে মানুষ খারাপ চোখে দেখে। কিন্তু সত্যি বলতে এগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যদি আপনি চান যে আপনার পণ্যটি শীঘ্রই খারাপ না হয় এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যকর থাকে। DIY স্কিনকেয়ার পণ্যে ব্যবহৃত বেশিরভাগ উপাদানই দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আপনি যখন DIY স্কিনকেয়ার পণ্য তৈরি করেন, তখন সেগুলি খারাপ হওয়ার একটি উচ্চ সম্ভাবনা থাকে এবং এই খারাপ মিশ্রণ ব্যাবহার করে আপনার ত্বকে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের উচ্চ ঝুঁকি থাকে, যা আপনার থেকে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। এই কারণেই beauty industry থেকে manufacturing করা স্কিনকেয়ার পণ্যগুলি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল। 

    ৪। অপরিশোধিত স্ক্রাব ত্বকের ক্ষতি করতে পারে:

    সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজে তৈরি করা DIY স্কিনকেয়ার পণ্য হল ঘরে তৈরি স্ক্রাব। যেমন: মধু চিনির মিশ্রণ /চালের গুঁড়ো দিয়ে স্ক্রাব করা। এটি ব্যবহার করার পরে আপনি ভাবেন - আপনার ত্বক মোলায়েম এবং সতেজ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু , অনেক DIY স্ক্রাবের মধ্যে অমসৃণ/ধারালো কণা থাকে যা আপনার ত্বককে মাইক্রোস্কোপিকভাবে কাটতে পারে যা ত্বকের ক্ষতি করে এবং আরও বেশি করে ব্যাকটেরিয়া প্রবশের সুযোগ বানিয়ে দেয়। 

    কিছু ভোক্তা বিশ্বাস করেন, স্কিন কেয়ারে সরাসরি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যাবহার করা ভালো না। আবার কিছু ভোক্তা বিশ্বাস করেন যে কৃত্রিম পণ্যগুলিতে ক্ষতিকারক এবং বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে তাই সেটা নিরাপদ নয়। কথাগুলো কতটুকু সত্য??

    • রাসায়নিকভাবে কৃত্রিম পণ্যগুলিতে পরীক্ষাগার এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রাপ্ত উপাদান থাকে। অন্য কথায় বলা যায়, বিজ্ঞানীরা উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যৌগগুলি ত্বকের উপযোগী করে প্রস্তুত করেন এবং কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিলিপি করে। 
    • অন্যদিকে, সাধারণ ভাবে আমরা বুঝি, প্রাকৃতিক পণ্যগুলি সম্পূর্ণরূপে উদ্ভিদ-ভিত্তিক, রান্না ঘরেই পাওয়া যায়। তাই প্যাকেজিংয়ে শূন্য-বর্জ্য, নিরামিষাশী এবং নিষ্ঠুরতা-মুক্ত। 
    • এখন অনেক প্রশ্ন মাথায় ঘুরতে থাকে। যেমন: প্রাকৃতিক উপাদান কি ত্বকে ব্যবহার করা নিরাপদ? সমস্ত-প্রাকৃতিক শিল্প কি নিরাপদ সিন্থেটিক উপাদানকে অপমান করে? কোন ধরনের উপাদান ভালো? 
    • প্রাকৃতিক বনাম পরিষ্কার স্কিন কেয়ার/clean skin care: কিছু লোক ক্লিন স্কিন কেয়ার পণ্যের সাথে প্রাকৃতিক স্কিনকেয়ার পণ্যগুলিকে গুলিয়ে ফেলেন। আজকাল ভিন্ন ভিন্ন ব্লগার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এবং তাদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ক্লিন beauty /পরিষ্কার সৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য skincare মধ্যে পার্থক্য প্রায় ভেঙে পড়েছে।
    • পরিষ্কার বিউটি প্রোডাক্টে সিন্থেটিক বা প্রাকৃতিক উপাদান (ত্বকের জন্য উপযোগী অবস্থায় থাকে) থাকতে পারে, যার সবকটিই পরীক্ষিত এবং নিরাপদ বলে প্রমাণিত এবং এতে টক্সিন বা কোনো ক্ষতিকারক উপাদান থাকে না। "পরিষ্কার" শব্দটি একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, তাই বিউটি ব্র্যান্ডগুলি তাদের কোন ধরনের raw materials কে ক্লিন হিসাবে ধরে নিচ্ছে তার উপর এই ক্লিন বিউটি স্কিন কেয়ার এর মানদণ্ড পরিবর্তিত হয়। অনেকেই ক্লিন বিউটি ইন্ডাস্ট্রি বলতে বোঝেন রাসায়নিক প্রিজারভেটিভ, প্যারাবেন, এসেনশিয়াল অয়েল, কিছু প্রাকৃতিক নির্যাস, সোডিয়াম লরিল সালফেট, গ্লাইকোল, পেট্রোলাটাম, খনিজ তেল, সিলিকন, অ্যালকোহল, সুগন্ধি এবং রঞ্জক জাতীয় উপাদানগুলি থাকবে না। কিন্তু এই সব উপাদানই ত্বকের জন্য মোটেও ক্ষতিকর নয় তাই এগুলো সহ স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট কেও ক্লিন স্কিন কেয়ার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
    • অন্য দিকে,প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার এর উপাদান আসে উদ্ভিদ থেকে। যেগুলো সরাসরি মুখে ব্যাবহার করা হয়। যার ভালমন্দ বিচারের জন্য কোন প্রকার মানদণ্ড নেই। কোন প্রকার ল্যাব টেস্ট হয় না। কোন প্রকার রিসার্চ করার সুযোগ থাকে না .
    • উদ্ভিদ-ভিত্তিক /প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ত্বকের যত্নের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি কী কী?শুধুমাত্র একটি পণ্য প্রাকৃতিক বা প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত মানে এটি নিরাপদ এমন ভাবার কোন কারণ নেই। উদাহরণস্বরূপ, Poison Ivy প্রাকৃতিকভাবেই পাওয়া যায়, তবে সেটা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক। এমনকি প্রাকৃতিক নির্যাসযুক্ত পণ্যগুলিও সংবেদনশীলতা এবং জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন — লেবু এবং কমলার মতো সাইট্রাস- ভিত্তিক নির্যাসগুলি খুব irritating -বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ধরণের জন্য। লেবুর নির্যাসের উচ্চ অম্লতার কারণে, নিয়মিত রোদে ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে। কিছু প্রাকৃতিক উপাদান খুব ভারী হতে পারে এবং ত্বকের pore clogged করে দিতে পারে। কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের প্রাকৃতিক/নিজস্ব তেলকে(যেটা ত্বকের জন্য জরুরি) ধুয়ে দিতে পারে এবং ত্বককেপানিশূন্য করে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, খাঁটি নারকেল তেল অন্যান্য তেলের তুলনায় অত্যন্ত ঘন। এটি ত্বকের/ স্ক্যাল্প এর pore দিয়ে absorb হয় না, এটি ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ম্যাসেজ করার কারণে এটি ত্বকের উপরের অংশে প্রবেশ না করেই ছিদ্রগুলিকে আটকে রাখতে পারে। নারকেল তেল তখন ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়াকে আটকে রাখে, ব্রণ তৈরি করে।

    কেন উদ্ভিদ-ভিত্তিক /প্রাকৃতিক পণ্যের ভোক্তারা সিন্থেটিক পণ্য ভয় পান? উদ্ভিদভিত্তিক ধর্মান্ধদের মূল লক্ষ্য হল সিন্থেটিক রাসায়নিক থেকে দূরে থাকা কারণ তারা এগুলিকে ত্বকের জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করে। অনেক ভোক্তা বিশ্বাস করেন যে প্রাকৃতিক সমান নিরাপদ, যার অর্থ যদি একটি পণ্যে সমস্ত প্রাকৃতিক উপাদান থাকে তবে এটি ত্বকের জন্য আরও ভাল হতে হবে। হাস্যকর কথা এবং খুবই ওযৌক্তিক কথা.

    হ্যাঁ, কিছু রাসায়নিকভাবে কৃত্রিম উপাদানও ত্বকের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে(ত্বকের উপরে সেটা নির্ভর করে), তবে ল্যাবরেটরিতে তৈরি হলে বলে সেই উপাদানগুলি বেশ নিরাপদ। বেশিরভাগ ভোক্তারা অজানাকে ভয় পান, যেমন পণ্যের লেবেলে দীর্ঘ রাসায়নিক উপাদানের নাম। অতএব, যারা সমস্ত প্রাকৃতিক পণ্যের পক্ষপাতী তারা বিষাক্ত পদার্থের সাথে রাসায়নিক শব্দটি যোগ করেন এবং উচ্চ-মানের, রাসায়নিকভাবে সংশ্লেষিত উপাদান যেমন AHAs, PHAs, ectoin, triethoxycaprylylsilane, glycosphingolipid, decarboxy carnosine HCL, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট এইসব নাম দেখে ভয় পেয়ে যান। এই ভোক্তারা হয়তো বুঝতেও পারেন না যে তাদের অথাকথিত natural পণ্যের বিশ্লেষণ করলে এগুলো ও পাওয়া যাবে।তবে, সেগুলোর মান নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকে না এবং ত্বকের গভীরে absorb হবার মত অবস্থায় থাকে না। তারা তথাকথিত প্রাকৃতিক স্কিনকেয়ার কোম্পানি দ্বারা "মগজ ধোলাই" হয়. এটি ভোক্তাদের বৈজ্ঞানিক তথ্যের দিকে তাকানো থেকে দূরে নিয়ে যায় যা কিছু সিন্থেটিক উপাদানের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা থেকে দূরে ঠেলে দেয।

    তাহলে, প্রাকৃতিক স্কিনকেয়ার পণ্য কি নিরাপদ? সমস্ত প্রাকৃতিক স্কিনকেয়ার পণ্য ভাল নয় , তবে এটি প্রতিটি পণ্যের উৎসের উপর নির্ভর করে। ভাল এবং খারাপ সব ধরনে রাসায়নিক উপাদান আছে, তেমনি ভাল এবং খারাপ প্রাকৃতিক উপাদান আছে।

    প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত পণ্যগুলি উপকারী এবং কার্যকর হতে পারে যদি সাবধানে এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তৈরি করা হয় (আপনি বাসাতে বসে এবং ল্যাব/ manufacturing ছাড়া সেটা পারবেন না)। সেগুলোকে রাসায়নিকভাবে সংশ্লেষিত , ল্যাব-ভিত্তিক, এবং এইভাবে, আরও বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা গেলেও ব্যাবহার করতে পরবেন। ত্বকের কোনো উদ্বেগ বা পরিবর্তন সম্পর্কে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এর সাথে আলাপ করা গুরুত্বপূর্ণ এবং ত্বকের যত্নের উপাদানগুলি সম্পর্কে নিরপেক্ষ বৈজ্ঞানিক গবেষণা জার্নালগুলি সন্ধান করা গুরুত্বপূর্ণ।

    ত্বকের জন্য মারাত্তক বিপদজ্জনক কিছু DIY নিয়ে আলোচনা করব। যে উদাহরণ গুলো দিব ,এর বাইরেও অনেক DIY আছে। 

    • DIY সানস্ক্রিন:

    স্কিন কেয়ার এ সবথেকে কঠিন কাজ হল Sunscreen formulation করা। যেখানে কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রি দিন রাত এক করে দিয়ে ভাল ভাল sunscreen বানিয়ে ও অনেক সময় এসপিএফ এর *লেভেল টেস্ট এ ফেইল আসছে, সেখানে এই ঘরে ব্লেন্ডারে মিক্স করলেই সেটা Sunscreen হয়ে যাবে!!!! এখন আপনি বলতে পারেন, আমিতো বাজার থেকেই sunscreen কিনেছি, তবুও আপনি প্রটেকশন পাচ্ছেন না - সেক্ষেত্রে কিছু জিনিস খেয়াল করে দেখুন। আপনার sunscreen এর এসপিএফ লেভেল কত? আপনি ঠিক পরিমাণে ইউজ করছেন কিনা? সঠিক সময়ে reapply করছেন কিনা এমন অনেক কিছু। কম দাম /তথাকথিত রিভিও দেখেই এমন sunscreen কিনে ইউজ করা শুরু করলেন যাতে কোন ইউভি ফিল্টার ই নেই , আপনি সেই sunscreen থেকে কোন প্রটেকশন পাবেন না।।তাই বলে DIY sunscreen এর বিকল্প হতে পারে না। ভাল মানের sunscreen ইউজ করুন এবং নিয়ম মেনে ব্যাবহার করুন। তাহলেই সূর্য থেকে নিজেকে সুরক্ষিত করতে পারবেন।

    • ত্বক ফর্সা করার জন্য লেবুর রস:

    যখন আপনার মুখে লেবুর রস লাগিয়ে ফেলেন, তখন এটি আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক barrier কে ধ্বংস করে এবং এর আলোক সংবেদনশীলতা ( sun sensitivity) বাড়ায়। ফলস্বরূপ, যসূর্যের দাগ থেকে মুক্তি পেতে আপনি লেবুর রস ব্যাবহার করছেন, সেটাই আপনার ত্বক কে আরো বেশি sun sensitive বানিয়ে ফেলে। এর ফলে, ত্বক সূর্য দ্বারা আরো বেশি damage হয়। ত্বক এর ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে যায় এবং প্রদাহের প্রবণতা বেড়ে যায়।, যা গুরুতর ব্রণ/ ব্রেকআউট এর প্রধান কারণ হতে পারে।

    • DIY স্ক্রাব:

    ফেস স্ক্রাবিং ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর, বিশেষ করে যারা ব্রণে ভুগছেন বা যারা সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী. বেকিং সোডা, দারুচিনি, চিনি এবং অন্যান্য ঘর্ষণকারী পদার্থ ধারণকারী DIY স্ক্রাবগুলি আপনার ত্বকের জন্য খুবই বিপজ্জনক। বেকিং সোডা ত্বকের লিপিড ব্যারিয়ার কে ধ্বংস করে ত্বক কে পানিশূন্য এবং দ্রুত অকাল বার্ধক্যের প্রবণ করে তোলে।  দারুচিনি, চিনি এবং অনুরূপ জিনিস দিয়ে তৈরি স্ক্রাবগুলি ত্বকে আঁচড় (micro cut)দেয়,এর ফলে ত্বকে ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ত্বক লাল হয়ে যায় এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে। বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্ক্রাব গুলোও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

    • ফেস ক্রিমের পরিবর্তে তেল ব্যাবহার করা: 

    যদিও বাদাম বা আঙ্গুরের তেলের মতো স্বল্প মেয়াদে পণ্যগুলি ব্যবহারে তাত্ক্ষণিকভাবে মনে হয় সেটা ময়শ্চারাইজিং এবং আরাম প্রদান করছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব আসলে পুরোটাই বিপরীত। 100% তেল ত্বকের পৃষ্ঠে একটি ফিল্ম তৈরি করে, যা আপনার ত্বককে স্বাভাবিকভাবে "শ্বাস নিতে" দেয় না এবং পানির বাষ্পীভবনকে বাধা দেয়। ফলস্বরূপ, ত্বকে বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলি ধীর হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে ত্বক শুষ্ক এবং পানিশূন্য হয়ে যায়। 

    • ব্রণের জন্য টুথপেস্ট:

    টুথপেস্ট আপনার ত্বকের জন্য আক্রমণাত্মক হতে পারে। তাই এটি ব্যবহার করলে মারাত্মক জ্বালা বা এমনকি রাসায়নিক পোড়াও হতে পারে। don't use toothpaste on acne, use toothpaste on tooth .

     

     

     

     

     

    Content Courtesy: Samina Noor Tracy

     

     

     

     

     

    Share this article:
    Last updated: No Time Data

    Related Articles

    Skin

    ভাল এবং নামিদামি ক্লিনজার / ফেসওয়াশ ব্যাবহার করছি। কিন্তু কোন ভাল ফলাফল পাচ্ছি না। কেন??

    ভাল এবং নামিদামি ক্লিনজার / ফেসওয়াশ ব্যাবহার করছি। কিন্তু কোন ভাল ফলাফল পাচ্ছি না। কেন??এই যদি হয় আপনার জিজ্ঞাসা,তাহলে আশা করি আপনি এখনি তার উত্তর পেয়ে যাবেন। সম্ভাব্য কারণ সমূহ: low pH facewash ব্যবহার না করা: ত্বক এর জন্য সর্বদা low pH Facewash ব্যবহার করতে হবে। আমাদের ত্বক মাইল্ড অ্যাসিডিক। তাই, ফেসওয়াশ ও মাইল্ড অ্যাসিডিক বা low pH এর হওয়া প্রয়োজন।

    1Aug 25, 20239:21 AM-3 min read-Kirei
    Skin

    পাউডার সানস্ক্রিন

    সানস্ক্রিন দিলে অনেক সময় তেলতেলে লাগে বা কালো লাগে আর ঘামলে তো কথাই নেই, ওয়েলি স্কিন আর সেবাম প্রোডাকশন এর কারণে এরকম হয় যা গরমে আরো বেড়ে যায়। তখন কিন্তু এসপি এফ যুক্ত পাউডার অনেক কাজে আসে,আর সেরকম একটা ভাল অপশন হচ্ছে পাউডার সানস্ক্রিন। আর তা যদি হয় ?????+ ??++++ তা হলে তো কথাই নেই, একদম top notch match!

    1Aug 17, 20234:49 PM-3 min read-Kirei
    Skin

    জাপানিজ ফেসওয়াশের ব্যাপারে সবকিছু

    জাপানিজ সব ফেসওয়াশ ই অনেক মাইল্ড থাকে এবং সব ধরণের ত্বকের জন্য মানানসই। এই ফেসওয়াশগুলোর ফর্মুলেশন এবং উপাদান তালিকায় হাইড্রেটিং সব উপাদান থাকে তাই ফেস ধুয়ার পর অভার ড্রাই করেনা,স্কিনকে ক্লিন ও ময়েশ্চারাইজড রাখে।

    1Aug 17, 20234:31 PM-2 min read-Kirei