স্কিনকে হাইড্রেট করা মানে স্কিনে প্রয়োজনীয় পানি বা আর্দ্রতা ধরে রাখা। শীত আসলেই অনেকের ত্বক বেশি শুষ্ক হয়ে যায় আবহাওয়ার কারণে। আবার অনেকের বেসিক স্কিন কেয়ার না করার কারণে স্কিন ড্যামেজ ও ডিহাইড্রেট হয়ে থাকে। আর ডিহাইড্রেট স্কিন মানেই স্কিনের নানারকমের সমস্যা।
ডিহাইড্রেটেড স্কিনের কারণ কী?
- এক্সট্রিম তাপমাত্রা (অতিরিক্ত গরম বা শীত)
- ওভার এক্সফোলিয়েশন
- হার্স ক্লিনজার
- কিছু শারীরিক সমস্যা ও মেডিকেল ইস্যুর কারনেও স্কিনে ডিহাইড্রেশন হয়ে থাকে।
Benefits of Hydration in skin :
- স্কিন সফট এন্ড স্মুথ থাকে।
- স্কিন হেলদি থাকে।
- ঢালনেস, ড্রাইনেস রিডিউস হয়।
- ওয়েল প্রোডাকশন কন্ট্রোল হয়।
- এজিং প্রসেস স্লো করতে হেল্প করে।
- রিংকেল কন্ট্রোল করে।
- পিম্পল, একনে টিগারিং কন্ট্রোল করে।
তবে, হ্যাঁ। রাতারাতি কিছুই ঘটবে না। অবশ্যই ধৈর্য্যসহকারে সময় দিতে হবে স্কিনে প্রোডাক্টের এফেক্টিভ রেজাল্ট আসার জন্য।
তাই জেনে নিন স্কিন বেশি ডিহাইড্রেট হলে করণীয় কিঃ
১/ বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করতে হবে এবং রুটিনে occlusive and emollient যুক্ত প্রডাক্ট বেশি আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। Hydrating ingredients হলো - Hyaluronic Acid, Glycerin, Urea, Ceramides etc
২/ ডাবল ময়েশ্চারাইজিং স্টেপ ফলো করতে পারেন। ক্লিঞ্জার ইউজের পর জাপানিজ হাইড্রেটিং লোশন ইউজ করে এরপর ময়েশ্চারাইজার ইউজ এটাই হচ্ছে ডাবল ময়েশ্চারাইজিং প্রসেস। এতে স্কিন প্লাম্পি ও হাইড্রেট থাকবে।
৩/ বেশি করে পানি খেতে হবে, শীত আসলে অনেকেই পানির পানের পরিমাণ কমিয়ে দেন ফলে স্কিন আরো ডিহাইড্রেট হয়ে যায়।
৪/ স্কিন টাইপ এবং স্কিন কনসার্ন বুঝে সঠিক ময়েশ্চারাইজার নিতে হবে যাতে স্কিন প্রপার হাইড্রেশন যুক্ত প্রডাক্ট পায়।
৫/ অভার এক্সফলিয়েট করা যাবেনা, স্কিন বেশি ডিহাইড্রেট হলে এক্সফলিয়েটর বা যেকোন একটিভ উপাদান ইউজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।
৬/ ময়েশ্চারাইজার ইউজের পর ভ্যাসলিন দিয়ে স্লাগিং করলেও অভারনাইট স্কিন হাইড্রেট থাকে।
৭/ ফেস অভার ওয়াশ এর অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে, অতিরিক্ত মুখ ধোয়ার কারণে ফেসের ন্যাচারাল সিবাম ও ক্লিন হয়ে স্কিন আরো ডিহাইড্রেট হয় তাই দিনে রাতে দুইবারের বেশি ফেস ওয়াশ না করাই ভাল। এতে স্কিন হেলদি ও হাইড্রেট থাকবে।
৮/ যখন ই ফেস শুষ্ক বা টানটান লাগবে ময়েশ্চারাইজার ইউজ করতে হবে এতে স্কিনের হাইড্রেশন বজায় থাকবে।
৯/ স্কিন কেয়ার রুটিনে অতিরিক্ত হার্শ বা একটিভ যুক্ত উপাদান এভয়েড করে হাইলুরনিক এসিড, এমাইনো এসিড, স্কুয়ালেন, রয়েল জেলি এরকম উপাদান যুক্ত প্রডাক্ট রাখতে হবে যাতে স্কিন এর ড্যামেজ ব্যারিয়ার রিপেয়ার করে স্কিন হাইড্রেট থাকে।
১০/ অনেকে সানস্ক্রিন ইউজ করলে ময়েশ্চারাইজার ইউজ করেন না, কিন্তু স্কিন যদি বেশি ডিহাইড্রেট হয় তাহলে সানস্ক্রিন ইউজের আগে ময়েশ্চারাইজার ইউজ করে নিবেন।
মোটকথা ডিহাইড্রেট স্কিনে বেশি করে হাইড্রেটিং উপাদান ও জেন্টেল একটা রুটিন রাখতে হবে এবং প্রপার বেসিক স্কিন কেয়ার করতে হবে তাতেই ডিহাইড্রেট স্কিন ট্রিট হবে।