গ্লোয়িং ত্বকের রহস্য
গ্লোয়িং স্কিন পাওয়ার জন্য মাস্ট যা লাগবে তা হলো "Patience" - ধৈর্য্য। গ্লোয়িং স্কিন ৭/১০ দিন বা ২/৩ মাসে পাওয়া পসিবল না। গ্লোয়িং স্কিন একটি লং টাইম ইনভেস্টমেন্টের বেনিফিট বা বলতে পারি, লং টাইম জার্নির পজিটিভ আউটপুট।
গ্লোয়িং স্কিন পাওয়ার জন্য মাস্ট যা লাগবে তা হলো "Patience" - ধৈর্য্য। গ্লোয়িং স্কিন ৭/১০ দিন বা ২/৩ মাসে পাওয়া পসিবল না। গ্লোয়িং স্কিন একটি লং টাইম ইনভেস্টমেন্টের বেনিফিট বা বলতে পারি, লং টাইম জার্নির পজিটিভ আউটপুট।
সময়ের সঙ্গে ছোটোবেলার গায়ের রং ও গ্লো আমরা বিভিন্ন কারণে হারিয়ে ফেলি। কিন্তু স্কিনের একটু যত্ন নিলেই সুন্দর, উজ্জ্বল স্কিন ফিরে পাওয়া সম্ভব। ফর্সা নয় বরং নজর দিতে হবে কীভাবে নিজস্ব রঙ আরও সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জল দেখাবে। স্কিনের রিংকেল, অ্যাকনে, ট্যান রিডিউসের দিকে বেশি নজর দিন। স্কিনের যখন সকল সমস্যার সমাধান হয়ে আসবে স্কিন অটোমেটিক গ্লো দেখা যাবে। আর স্কিন একবার হেলদি হয়ে যাওয়ার পর যে সেটা লক হয়ে বসে থাকবে এমনো না। হেলদি হওয়ার পর আসা গ্লো ধরে রাখতে স্কিনকেয়ারও কন্টিনিউ করতে হবে। আমাদের স্কিন ত আমাদের জীবন্ত শরীরেরই একটি অংশ। নিয়মিত গোসল যেমন আমাদের জন্য মাস্ট স্কিনকেয়ার ও মাস্ট। হেলদি স্কিন ও অযত্নে ঢাল স্কিনে পরিনত হবে। স্কিন যদি জেনিটিকলি হেলদি হয় তাদেরও স্কিনকেয়ার করতে হবে। বেসিক স্কিনকেয়ার - নিয়মমাফিক খাওয়া, গোসলের মতই।
কিন্তু গ্লোয়িং স্কিন পাওয়া কিন্তু এত্তো বেশি জটিল ও না। জাস্ট ৩টা স্টেপস ই ইনাফ ফোর গ্লোয়িং স্কিন। ডাবল ক্লিঞ্জিং, ময়েশ্চার + হাইড্রেশন, সানস্ক্রিন৷ এই স্টেপস গুলো নিয়েই লেগে থাকুন ইফেকটিভ & ভালো কোয়ালিটির প্রোডাক্ট নিয়ে স্কিন হেলদি হবে... আর গ্লোয়িং ও হবে। হ্যা, এটা সময়সাপেক্ষ। ধৈর্য্যহারা হয়ে ঘন ঘন প্রোডাক্ট সুইচিং, নতুন নতুন স্টেপ এড করা, বেসিক না করেই গ্লোয়িং প্রোডাক্ট এড করা , রেগুলার বেসিক স্কিনকেয়ার না করা, স্কিন কর্ন্সান অনুযায়ী প্রোডাক্ট সিলেক্ট না করা বা হার্মফুল প্রোডাক্ট ইউস করা এসব করলে স্কিন গ্লোয়িং তো হবেই না স্কিন হেলদি ও হবেনা উল্টো স্কিন ড্যামেজ হবে। স্কিন হেলদি না হলে ন্যাচারাল গ্লো আসবেনা কখনো। আবার স্কিনে অন্যন্য সমস্যা থাকলে আগে সেগুলো কিওর করতে হবে। অন্যান্য মেজর কোন সমস্যা থাকা অবস্থায়ও স্কিনে গ্লো আসা টা পসিবল না।
গ্লোয়িং স্কিন পাওয়ার কিছু টিপ্স-
- সানস্ক্রিন মেইনটেইন (পরিমান মত ও রি-এপ্লাই) করতে হবে মাস্ট।
- স্কিনকে প্রোপার ময়েশ্চার রাখতে হবে।
- ময়েশ্চারাইজিং এর পাশাপাশি হাইড্রেশন প্রোভাইট করতে হবে স্কিনে। হাইড্রেশনই স্কিনের ন্যাচারাল গ্লো ইনহেন্স করে।
- প্রোপারলি স্কিন ক্লিন করতে হবে। দিনে ১বার রেগুলার ক্লিঞ্জিং ও ১বার ডাবল ক্লিঞ্জিং একটি গুড প্রাকটিস।
- ২০+ হলে এক্সফোলিয়েশন করতে হবে সপ্তাহে ২ দিন।
- হার্স ও হার্মফুল প্রোডাক্ট এভোয়ড করতে হবে।
- মাইল্ড ও ইফেকটিভ প্রোডাক্ট ইউস করতে হবে।
- স্কিন টাইপ ও স্কিন কি কি সহ্য করতে পারে সে অনুযায়ী প্রোডাক্ট এড করতে হবে। (সেম জিনিস সবার জন্য সেম রেজাল্ট দিবেনা। স্কিন টু স্কিন vary করে কাকে কি স্যুট করবে বা করবেনা)
- স্কিন কর্ন্সান অনুযায়ী প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে। (একনে থাকা অবস্থায় স্পট আউট ট্রিটমেন্ট করা যাবে না৷ আগে একনে কিওর করতে হবে। )
- হেলদি লাইফস্টাইল ক্রিয়েট করা উচিত (ঘুম, খাওয়াদাওয়া, পরিবেশ)
- স্কিনে একটু আধটু সমস্যা থাকবেই, হবেই, হতেই থাকবে এটা নিয়ে প্যানিক হওয়ার কিছু নাই। এটা ন্যাচারাল।
- এক্সেপ্ট করতে হবে যে, স্ক্রিনের মতো স্কিন হবে না। ছবি / ভিডিও এর মত ক্রিস্টাল ক্লিয়ার স্কিন কারোই হয় না। সেটা শুধু স্ক্রিনেই সম্ভব।
- জেনিটিক আমাদের কিছু কিছু ফ্লস থাকে সেটা কখনো স্কিনকেয়ার করে কিওর করা পসিবল না।
- স্কিনের যে কোন সমস্যা এক্সট্রিম হলে লেট না করে ডা: দেখাতে হবে। এতে লজ্জার কিছু নেই। অসুস্থ হলে যেমন ডা: দেখাই আমরা স্কিনের জন্যও তেমনি হওয়া উচিত।
- স্কিনকেয়ারে তাড়াহুড়ো করা যাবে না। সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে স্কিনকেয়ার করতে হবে।
.
.
Content Courtesy: Ftz Boishakhi