Bad habits in hair care & healthy hair tips
হেলদি,শাইনি লুকিং হেয়ার সবাই চায়,কিন্তু প্রোপার কেয়ার সম্পর্কে অনেকেই জানেনা,অনেকে যত্ন নিলেও ভুল ভাবে নেয়,যার ফল হেয়ার ব্রেকেজ,স্প্লিট ইন্ডস,রাফ হেয়ার। হেলদি চুলের জন্য সবার প্রথমে চুলের যত্নে প্রটেক্টিভ হতে হবে,হেয়ার ড্যামেজ হয় এরকম সব ধরনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে এবং সাথে খুব বেসিক কিছু স্টেপ ফলো করলেই চুলকে হেলদি রাখা সম্ভব।
হেলদি,শাইনি লুকিং হেয়ার সবাই চায়,কিন্তু প্রোপার কেয়ার সম্পর্কে অনেকেই জানেনা,অনেকে যত্ন নিলেও ভুল ভাবে নেয়,যার ফল হেয়ার ব্রেকেজ,স্প্লিট ইন্ডস,রাফ হেয়ার। হেলদি চুলের জন্য সবার প্রথমে চুলের যত্নে প্রটেক্টিভ হতে হবে,হেয়ার ড্যামেজ হয় এরকম সব ধরনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে এবং সাথে খুব বেসিক কিছু স্টেপ ফলো করলেই চুলকে হেলদি রাখা সম্ভব।
চুলের যত্নে কিছু ভুল অভ্যাস:
চুলে বেশি বেশি তেল ব্যবহার করলে হেয়ার গ্রোথ বেশি হয়,চুল পড়া বন্ধ করে?
না,এটি সম্পূর্ন একটি ভুল ধারনা, Raw হেয়ার অয়েল এর মলিকিউল গুলো সাইজ বড় হওয়ায়, hair shaft penetrate করতে পারেনা,তাই হেয়ার গ্রোথ এর সাথে কিংবা চুল পড়া বন্ধ করার সাথে তেলের কোনো সম্পর্ক নেই। একচুয়েলি স্ক্যাল্পে তেলের প্রয়োজন নেই বললেই চলে,আমাদের হেয়ার স্ক্যাল্প ন্যাচারাল ওয়েল প্রডিউস করে,যেটা স্ক্যাল্প কে মশ্চারাইজড রাখে। অতিরিক্ত তেল ব্যবহার চুল পড়ার অন্যতম কারন।এবং Raw অয়েল স্টিকি হওয়ায়,অনেক বেশি ময়লা আটকে যায় চুলে,যেটা চুলের জন্য মোটেও ভালো নয়। অনেকেই কোনো কারনে চুল পড়া বেড়ে গেলে প্রচুর অয়েলিং করে চুলে,এই ধারনা থেকে যে চুলের গোড়া মজবুত হবে,কিন্তু এতে দিন দিন হেয়ার কন্ডিশন আরো খারাপ হয়। চুলে তেলের উপকারিতা কেবল হেয়ার স্ট্র্যান্ডে,মানে চুলের Nourishment এ তেল কাজ করে,চুল পড়া বন্ধ করা,নতুন চুল গজানো,চুল লম্বা করা এগুলো তেলের কাজ না।
????? ??? and ??????? ??? ?? ? ???? ???? ?????? ??? ???? ??????????? ??? ????????.
শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার না করা:
কন্ডিশনার স্কিপ করা মানে চুলকে ড্যামেজের দিকে ঠেলে দেয়া,আমাদের চুলের নিচের দিকের অংশ গুলো বেশি পুরোনো,তাই কন্ডিশনিং না করলে Split Ends সমস্যা দেখা দেয়, চুল রাফ এবং ফ্রিজি হয়ে যায়, এবং চুল নিচের দিক থেকে ভেঙে যায়। অনেকেই বলে ২/১ বছর ঘুরেও হেয়ার লেন্থ বাড়েনা,এবং মনে করে হেয়ার গ্রোথ হচ্ছে না,কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়,গোড়া থেকে যতটুকু গ্রোথ হচ্ছে তার চেয়ে বেশি ডগায় ব্রেকেজ হচ্ছে, ফলে বছর ঘুরে চুলের দৈর্ঘ্য একই থেকে যায়,নিচের দিকে চুল পাতলা হয়ে যায়।তাই চুল বড় করার জন্য এবং চুলের হেলথ ভালো রাখতে বেশি বেশি তেল না দিয়ে চুলে রেগুলার একটি ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন,হেয়ার লেন্থ এমনিতেই বাড়বে আর চুলও হেলদি থাকবে।
ড্যানড্রফ কে গুরুত্ব না দেয়া:
ড্যানড্রফ বা খুশকি সমস্যা কে অনেকেই গুরুত্ব দেয়না,আবার অনেকেই খুশকির সমস্যার জন্যও তেল ব্যবহার করেন,এতে চুলের অবস্থা তো খারাপ হয়ই,স্কিনের জন্যও র অয়েল গুলো ক্ষতিকর,এগুলো হাইলি কমেডোজেনিক,এবং এগুলো ত্বকে ফাংগাল এক্নে বাড়ায় বিশেষ করে র-কোকোনাট অয়েল।অনেকেরই শুধু কপালে ব্রনের সমস্যা থাকে যেটা মূলত ড্যানড্রফ বা স্ক্যাল্পে ব্যবহার করা তেল থেকে হয়।ড্যানড্রফ একটি ফাংগাল ইনফেকশন,এর জন্য অবশ্যই এন্টি ফাংগাল শ্যাম্পু ব্যাবহার করতে হবে।
??? ?? ???? ???? ???? ????????
১.সপ্তাহে অন্তত দুইদিন/তিনদিন একটি ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। যারা রেগুলার চুল খুলে বাহিরে যান তাদের ক্ষেত্রে অনেকসময় প্রতিদিন শ্যাম্পু করার প্রয়োজন হয়,সেক্ষেত্রে অবশ্যই একটি মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।
২.অবশ্যই হেয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। ডিপ কন্ডিশনের জন্য সপ্তাহে ২/১ দিন হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন(কোনো ঘাস, লতা পাতা ফুল ফল দিয়ে বানানো মাস্ক না)।
৩. স্ক্যাল্প বা চুলের জন্য ফর্মুলেটেড হেয়ার অয়েল বা হেয়ার সিরাম,হেয়ার টনিক ব্যবহার করতে পারেন।
৪.চুলে জট লেগে হেয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করে জট ছাড়ান,এতে চুল ছিড়বে না।
৫.চুলে মোটা চিরুনি ব্যবহার করুন,কাঠের চিরুনি হলে সবচেয়ে ভালো হয়।
৬.সিল্ক ফেব্রিকের পিলো কভার ব্যাবহার করুন।
৭.ডিরেক্ট রোদে গেলে অবশ্যই সান প্রোটেকশন ব্যবহার করবেন যেমন,স্প্রে সান্সক্রিন,ছাতা বা স্কার্ফ ব্যবহার করা।